বঙ্গ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:-বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ২০০, এমনটাই বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আপডেট। গতকাল বিকেলেই এই সংখ্যাটা ছিল ১৯০। আজ সকালে বেড়ে দাঁড়াল ২১৩। অর্থাৎ এক রাতে ২৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যে। ওই আপডেট বলছে বাড়ি ফিরেছেন ৩৭ জন, মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। অর্থাৎ এই মুহূর্তে করোনা অ্যাকটিভ রয়েছে ১৬৯ জনের শরীরে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই আপডেট তাৎপর্যপূর্ণ। এবং পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, এও বোঝা যাচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও নবান্নের দেওয়া পরিসংখ্যানের মধ্যে ফারাক রয়েছে। তাকে ধন্ধও বলা যেতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে অ্যাকটিভ পজিটিভের সংখ্যা ১৬৯ হওয়া উচিত।
কিন্তু গতকাল সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছিল তাতে বলা হয়েছিল, তখনও পর্যন্ত বাংলায় অ্যাকটিভ পজিটিভের সংখ্যা ১২০।
বিরোধী শিবিরের বিশেষ করে বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ও কোভিডে মৃত্যুর ঘটনা গোপন করা হচ্ছে। যা রাজ্যকে আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কারণ, অনেকে ধরেই নিচ্ছেন যে বাংলায় করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় বিশেষ নেই। তাই বিক্ষিপ্ত ভাবে বহু লোক লকডাউন ভেঙে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন। গতকাল এই অভিযোগ তুলে সরাসরি তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। দাবি করেন, যা বলা হচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষের দেহ সৎকারও করা হয়েছে রাজ্যে।
বিরোধী শিবিরের বিশেষ করে বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ও কোভিডে মৃত্যুর ঘটনা গোপন করা হচ্ছে। যা রাজ্যকে আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কারণ, অনেকে ধরেই নিচ্ছেন যে বাংলায় করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় বিশেষ নেই। তাই বিক্ষিপ্ত ভাবে বহু লোক লকডাউন ভেঙে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন। গতকাল এই অভিযোগ তুলে সরাসরি তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। দাবি করেন, যা বলা হচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষের দেহ সৎকারও করা হয়েছে রাজ্যে।
যদিও রাজ্য সরকার বারবারই দাবি করেছে, কোনও তথ্য গোপন করা হচ্ছে না আক্রান্ত ও মৃত নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ওষুধে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীরা সাড়া দিচ্ছেন। কিছু ক্ষেত্রে রেকারিং প্রবলেম নিয়ে আসছেন। তাঁদের হয়তো নিউমোনিয়া রয়েছে, ব্রঙ্কো নিউমোনিয়া রয়েছে বা অন্য কোনও কঠিন অসুখ রয়েছে। কারও বা মৃত্যুর সময়ে কিংবা মৃত্যুর পর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসছে। আমরা সেগুলোকে অডিট কমিটির কাছে পাঠাচ্ছি। সেই কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার পরই আমরা মৃতের সংখ্যা বলছি।”


0 Comments