বঙ্গ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:- বাংলায় এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯ জন। বুধবার সকাল ৮টার বুলেটিনে এ কথা জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের ওই বুলেটিনে বলা হয়েছে, এই ৯৯ জনের মধ্যে ১৩ জনকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। মারা গিয়েছেন পাঁচ জন। অর্থাৎ তাদের হিসাব মতো বাংলায় এখনও ৮১ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অ্যাকটিভ রয়েছে।
গত রবিবার রাত ৯ টায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে বুলেটিন প্রকাশ করেছিল তাতে বলা হয়েছিল বাংলায়ও তখনও পর্যন্ত করোনা-আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ জন। তার পর সোমবার সকাল ও সন্ধ্যার বুলেটিনে সেই পরিসংখ্যানে বদল হয়নি। ৩৬ ঘন্টা পর মঙ্গলবার সকালের বুলেটিনে স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, পশ্চিমবঙ্গে আরও ১১ জনের দেহে কোভিড পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৬৯ জনের শরীরে সংক্রমণ অ্যাকটিভ রয়েছে। আট জনের দেহে সংক্রমণ মিলেছে নতুন করে। মৃত্যু বেড়ে হয়েছে তিন থেকে পাঁচ। আক্রান্ত ৬৯ জনের মধ্যে ৬০ জনই ন’টি পরিবারের বলে জানান তিনি।
বাংলায় সংক্রমণের গতিপ্রকৃতিও ইতিমধ্যেই ব্যাখ্যা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, বাংলায় জনঘনত্ব অনেক বেশি। সেই অনুপাতে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কিন্তু ছড়ায়নি। বা বলা ভাল ছড়াতে পারেনি। একই পরিবারের একাধিক মানুষের মধ্যে সংক্রমণে ঘটনা দিয়ে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, সামাজিক ভাবে রাজ্যে সংক্রমণ এখনও ছড়ায়নি। পরিবারের মধ্যেই বেশিরভাগ সীমাবদ্ধ রয়েছে।
বাংলায় অ্যাকটিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় কেন্দ্র ও রাজ্যের হিসেবে ১২ জনের ফারাক রয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, কেন্দ্রের পরিসংখ্যানের সঙ্গে রাজ্যের পরিসংখ্যানের দৃশ্যত ফারাক কেন হচ্ছে। সর্বভারতীয় বিজেপি এবং রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দলীয় তরফে অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে তথ্য গোপন করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে টুইটারে ধারাবাহিক কিছু পোস্টও করেছিলেন সর্বভারতীয় বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।
সে ব্যাপারে আবার পাল্টা ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি বলেছিলেন, আইটি সেল ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। তিনি এও বলেন, “আমরা তো কেন্দ্রের তথ্য নিয়ে চ্যালেঞ্জ করিনি। আমরা যদি ওদের তথ্য বদলে দিই! এটা চ্যালেঞ্জের সময় নয়।”


0 Comments