-->
রেলে চেপে ভুটানে শীঘ্রই  | বঙ্গ প্রতিদিন

রেলে চেপে ভুটানে শীঘ্রই | বঙ্গ প্রতিদিন



বঙ্গ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:-বিমানপথে ভুটান যেতে পকেটে বেশি চাপ পড়ছে? নাকি গাড়ি-বাসের দীর্ঘ সফরে অনীহা বলে ভুটান যাওয়া হয়ে ওঠেনি? উভয় সমস্যারই সমাধান হতে চলেছে। রেলপথে ভারত এবং ভুটানকে জুড়তে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্র সরকার। গত বছর অগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভুটান সফরের পর থেকেই এই বিষয়ে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বছরদু’য়েক ধরেই একাধিক বিকল্প পথ নিয়ে রেলপথে দু’দেশকে জুড়তে ভাবনা-চিন্তা করছিল কেন্দ্র। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক রেল মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, এতদিন ভারতের সঙ্গে রেলপথে যোগসূত্র স্থাপনে তেমন উৎসাহ দেখায়নি ভুটান প্রশাসন। প্রস্তাবিত এই রেলপথের পিছনে কোনও অর্থ খরচ করতেও রাজি হয়নি তারা। যার পিছনে চিনের প্রচ্ছন্ন মদত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর কিছুটা হলেও বরফ গলেছে। নিজের দেশের পাশাপাশি সেদেশেও রেলপথ বসানোর খরচ ভারত সরকার বহন করতে রাজি হওয়ায় অবশেষে জলপাইগুড়ির মুজনাই থেকে ভুটানের নিয়োনপালিং এর মধ্যে প্রস্তাবিত রেলপথ বসানো নিয়ে সমীক্ষা চালাতে দু’দেশের তরফে একটি শীর্ষস্তরীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের নেতৃত্বাধীন এক প্রতিনিধিদল ভুটান গিয়ে সেদেশের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। যেখানে এই কমিটি গড়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে, পান্ডু-জোগীহোপা এবং আগরতলায় তিনটি ট্র্যানজিট কাস্টমস স্টেশন বানানোর পাশাপাশি নাগারকাট্টায় স্থায়ী কাস্টমস কেন্দ্র বানানো হবে। পাশাপাশি ভুটান থেকে রেললাইনে বিছানোর আগ্নেয় শিলা ভারতে আনার জন্য দু’পক্ষের মধ্যে একটি মেমোরান্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (মউ) চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তবে শুধু ভুটানই নয়, বাংলাদেশের সঙ্গে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির সরাসরি রেলযাত্রা আগামী বছরের শেষের দিকেই চালু হতে পারে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ। যার ফলে আগরতলা থেকে রেলে চেপে বাংলাদেশের আখাউড়ায় যাওয়া যাবে। কেন্দ্রের প্রাথমিক লক্ষ্য, স্বাধীনতার ৭৫ বছরে, ২০২২ সালের মধ্যে এই পথে নিয়মিত রেল চলাচল চালু করা। যার জন্য ২০২১ সালের মধ্যে রেললাইন পাতা এবং সংশ্লিষ্ট পরিকাঠামোগত কাজকর্ম শেষ করে ফেলতে চাইছেন রেল মন্ত্রক। ভুটানের মতো এক্ষেত্রেও দেশে ৫.৪৬ কিলোমিটার রেলপথ বসানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে ১০.৬ কিলোমিটার রেলপথ বসানোর খরচও বহন করছে বিদেশ মন্ত্রক।

0 Response to "রেলে চেপে ভুটানে শীঘ্রই | বঙ্গ প্রতিদিন"

Post a Comment

Article Top Ads

Central Ads Article 1

Middle Ads Article 2

Article Bottom Ads