
নতুন করোনা ভাইরাসের আক্রমণে যেন মহামারী চিনে! সতর্কতা জারি করল এ দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রক | বঙ্গ প্রতিদিন
Friday, January 17, 2020
1 Comment
বঙ্গ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:নতুন এক ভাইরাসের আক্রমণে বিপদের মেঘ ঘনিয়েছে চিনে। এই করোনা ভাইরাসের আকেরমণে ইতিমধ্যেই মারা গেছেন সে দেশের একাধিক মানুষ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নতুন এই ভাইরাসের নাম করোনা ভাইরাস। এর সঙ্গে লড়া এখনও কার্যত অসম্ভব। এই অবস্থায় চিনে যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জারি করল ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে সমস্ত হাসপাতালকে এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকার সতর্ক বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। চিন থেকে শুরু হলেও, জাপান এবং থাইল্যান্ড থেকেও খবর এসেছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার। অর্থাৎ ইতিমধ্যেই সাগর পাড়ি দিয়ে জাপানে পৌঁছেছে ঘাতক ভাইরাস।
টোকিওর বাসিন্দা, বছর তিরিশের ওই যুবক সম্প্রতি চিনের উহান শহরে এসেছিলেন। সেখান থেকেই শরীরে নিউমোনিয়া নিয়ে দেশে ফিরেছেন তিনি। অন্যদিকে থাইল্যান্ডে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন এক চিনা মহিলা। বিমানবন্দরের নজরদারিতে তাঁর দেহে এই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই অবশ্য তাঁকে নিজের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
করোনা ভাইরাসের জেরে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন উহান শহরের বহু মানুষ। তথ্য বলছে, ডিসেম্বর থেকে এই পর্যন্ত চিনের এই শহরটিতে করোনা ভাইরাসে ৪১ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভাইরাসের আক্রমণে নিউমোনিয়া অসুখে ভুগে মারাও গেছেন এক জন। হাসপাতালগুলি নিউমোনিয়ার রোগীতে ভর্তি।
এই অবস্থায় চিনে যাওয়াটা ঝুঁকির হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কোনও পর্যটকের শরীরে এই ভাইরাস ঢুকে গেলে, তা এ দেশেও চলে আসতে পারে। চিনের এই সঙ্কট নিয়ে উদ্বিগ্ন আরও বহু দেশই। যেমন, প্রতি বছর নানা কারণে চিন সফরে যান প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার ব্রিটিশ। তাদের কাছে এটি পর্যটনের এবং ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র স্বরূপ। ফলে এই ভাইরাসের আক্রমণের খবরে শঙ্কিত ব্রিটেনও।
হু-এর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাস নিয়ে যেটুকু জানা গেছে তাতে আন্দাজ করা যাচ্ছে, পশুর মাধ্যমে এই ভাইরাস স্থানান্তরিত হয় মানুষের দেহে। হু-এর এমার্জেন্সি ডিজিজ ইউনিটের প্রধান চিকিৎসক ডক্টর মারিয়া ভ্যান কারখোভে বলেছেন, এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণ করতে বিশ্বজুড়ে হাসপাতালগুলোয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। কারণ একবার এই ভাইরাস ঢুকে গেলে, তা রীতিমতো মহামারীর চেহারা নিতে পারে বলে আশঙ্কা সব মহলেই।
কলকাতার কোথায়?
ReplyDelete